Author: ইয়ামিন মজুমদার রাতুল

প্রতিনিয়ত খোঁজে রয়েছি এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অজানা রহস্যের!

প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম বিস্ময়, গিজার পিরামিড, আজও মানুষের কৌতূহল আর বিস্ময়ের কেন্দ্র। প্রায় ৪৫০০ বছর ধরে একে ঘিরে মানুষের কৌতূহল থাকলেও, গত ২ শতাব্দী ধরে কীভাবে এবং কাদের দ্বারা এই বিশাল পাথরের গঠন তৈরি হলো, তা নিয়ে গবেষণা, অনুমান আর বিতর্ক কখনো থামেনি। সাম্প্রতিক সময়ে গবেষকরা বলছেন যে গিজার পিরামিড কেবল একজন রাজা বা এক প্রজন্মের পরিকল্পনা ছিল না; বরং এটি তিন প্রজন্ম ধরে আলাদা রাজাদের স্বতন্ত্র প্রকল্প ছিলো। তবে ঠিক কীভাবে পাথরগুলো উত্তোলন, পরিবহন এবং স্তূপ করা হয়েছিল- এসব প্রশ্নের একাধিক সম্ভাবনা রয়েছে, এবং কোনো একক সিদ্ধান্ত এখনও আসেনি। আজকের এই নিবন্ধে আমরা আলোচনা করবো যে গিজার পিরামিড কারা…

Read More

আপনার কি সবসময় মনে হয় টেবিলের ওপর বইগুলো একটু বাঁকা হয়ে আছে বা রিমোটটা ঠিক জায়গামতো নেই? কিংবা কোনো কাজ নিজে না করলে মনে হয়, অন্য কেউ সেটা ঠিকঠাক করতেই পারবে না? আমরা অনেকেই নিজেকে পারফেকশনিস্ট বা নিখুঁত হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করি। কিন্তু এই নিখুঁত থাকার চেষ্টা যখন আপনার মানসিক শান্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেটা আর সাধারণ স্বভাব থাকে না।অনেকেই এই লক্ষণগুলোকে OCD বা শুচিবায়ু বলে ভুল করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে OCD এবং OCPD এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি সমস্যা যদিও উভয় নামের মিল থাকলে? আজ আমরা সেই গোলকধাঁধার সমাধান করব এবং জানব কেন…

Read More

আমরা ছোটবেলা থেকেই পদার্থবিজ্ঞান বইয়ে পড়ে আসছি যে, এই মহাবিশ্ব মূলত চারটি মৌলিক বলের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। Gravitational Force, Electromagnetic Force, Strong Nuclear Force এবং Weak Nuclear Force—এই চারজনই যেন মহাবিশ্বের প্রধান কান্ডারি। গ্রহ-নক্ষত্রের বিশাল ঘূর্ণন থেকে শুরু করে পরমাণুর ভেতরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার আচরণ, সবকিছুই এই চারটি নিয়মের জালে বাঁধা। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল ধরে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন, এই চারমূর্তির বাইরে আর নতুনের কোনো জায়গা নেই। পদার্থবিজ্ঞানের ‘বাইবেল’ খ্যাত Standard Model এই চারটি বলের (মহাকর্ষ বাদে বাকি তিনটি বলকে এই মডেলে খুব ভালোভাবে একীভূত করা হয়েছে) মাধ্যমেই মহাবিশ্বের ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে অত্যন্ত সফলভাবে। কিন্তু ইদানীং সেই আত্মবিশ্বাসের দেয়ালে ফাটল ধরছে। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে…

Read More

বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বা সায়েন্স ফিকশন সিনেমার পর্দায় আমরা প্রায়ই দেখি যে নায়ক তার মস্তিষ্কের সমস্ত স্মৃতি, আবেগ এবং বুদ্ধিমত্তা একটি তারের মাধ্যমে কম্পিউটারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। দেহ নশ্বর, কিন্তু তার স্মৃতি, আবেগ, চেতনা এবং বুদ্ধিমত্তা হয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল এবং অমর। ‘ব্ল্যাক মিরর’ থেকে শুরু করে ‘অল্টারড কার্বন’, এই ধারণাটি আমাদের বহুদিন ধরেই রোমাঞ্চিত করে আসছে। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Mind Uploadingবা Whole Brain Emulation। তাত্ত্বিকভাবে, মস্তিষ্কের এই ডিজিটাল রূপান্তর পদার্থবিজ্ঞানের নীতিবিরোধী নয়, কিন্তু প্রশ্ন হলো: বাস্তবে এটি কতটা সম্ভব? আমরা কি সত্যিই কোনো একদিন আমাদের চেতনাকে কোনো পেনড্রাইভ বা ক্লাউডে সংরক্ষণ করতে পারব? মস্তিষ্ক যখন হার্ডওয়্যার, মন যখন সফটওয়্যার মাইন্ড…

Read More